কলকাতা: এই সিনেমা ইতিমধ্যেই প্রশংসিত হয়েছে, জিতেছে পুরস্কারও। একাধিক মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ইতিমধ্যেই দেখানো হয়েছে এই ছবিটি। ১০ জুলাই বড়পর্দায় মুক্তি পেতে চলেছে, ‘পিঞ্জর’। ১৬তম চিকাগো সাউথ এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল সিডনি সহ একাধিক জায়গায় ছবিটি ইতিমধ্যেই দেখানো হয়েছে। আর এবার, সাধারণ মানুষের জন্য মুক্তি পেতে চলেছে, ‘পিঞ্জর’। রুদ্রজিৎ রায়ের পরিচালনায় আসছে নতুন এই সিনেমা।
সিনেমায় কী কী রয়েছেন?
এই সিনেমার মুখ্যভূমিকায় অভিনয় করছেন, জয় সেনগুপ্ত (Joy Sengupta), শতাক্ষী নন্দী (Satakshi Nandy), সাগ্নিক মুখোপাধ্যায় (Sagnik Mukherjee), সমীরুল আলম (Samiul Alam), মল্লিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mallika Banerjee), ঈশান মজুমদার (Ishan Mazumder), তথাগত মুখোপাধ্যায় (Tathagata Mukherjee) ও অন্যান্যরা। ছবিটির আবহসঙ্গীতের দায়িত্বে রয়েছেন রাতুল শঙ্কর। ছবিতে বিশেষ উপস্থিতি রয়েছে মমতা শঙ্করের (Mamata Shankar)। এই সিনেমাটি ইতিমধ্যেই প্রদর্শিত হয়েছে, HAAPIFEST, Chicago South Asian Film Festival, South Asian Film Festival of Montreal, Indian Film Festival of Sydney, Kolkata International Film Festival, International Indian Film Festival Toronto, Third Eye Asian Film Festival, Asian Film Festival Barcelona এবং London Bengali Film Festival-এর মতো উল্লেখযোগ্য মঞ্চে।
এই সিনেমায় রয়েছে কী কী বিশেষত্ব?
এই সিনেমায় বেশ কিছু চমকও রয়েছে। ছবিটির সিনেমাটোগ্রাফিতে ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ৬০ বছর পুরনো ভিন্টেজ ম্যানুয়াল Nikon Prime Lens, যা আধুনিক ডিজিটাল ক্যামেরা সেটআপের সঙ্গে বিশেষভাবে যোগ করা হয়েছিল। পরীক্ষামূলকভাবে এই কাজটি করা হয়েছে এবং স্বতন্ত্র প্রয়োগ ছবির প্রতিটি ফ্রেমে এনে দিয়েছে এক অর্গানিক টেক্সচার এবং timeless cinematic feel, যা সমকালীন বাংলা সিনেমার ভিজ্যুয়াল ভাষায় এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন রাহুল রয়ে, যিনি প্রোডাকশন ডিজাইনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ছবির সাউন্ড ডিজাইন নির্মাণ করেছেন অনীশ বসু। ছবির গানের কথা লিখেছেন প্রেমাংশু দাস এবং অম্বরীশ মজুমদার।
সিনেমা নিয়ে কী বলছেন পরিচালক?
এই ছবি সম্পর্কে পরিচালক বলছেন, ‘আমরা নিজেরাই, সমাজে যে খাঁচাগুলি তৈরি করেছি, ‘পিঞ্জর’ সিনেমাটার মধ্যে দিয়ে আমরা সেই খাঁচা তৈরির প্রথারই প্রতিবাদ করতে চাই। খাঁচা তো প্রত্যেককে ঘিরেই রয়েছে, তা সে পাখি হোক বা মানুষ। এই ছবির ৫টী মূল চরিত্রের মধ্যে যেমন আবেগ রয়েছে, তেমনই সামাজিক বোধ রয়েছে, ঈশ্বরিক চেতনা রয়েছে.. সমাজের বিভিন্ন ওঠাপড়াকেই তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই সিনেমার মাধ্যমে। এই সিনেমাটা যেমন একদিকে দর্শককে কাঁদাবে, তেমনই সমাজের ক্রুরতার একটা নগ্ন ছবি তুলে ধরবে। আশা করছি দর্শকদের সিনেমাটি ভাল লাগবে।’