Last Updated:
দিল্লির বসন্তকুঞ্জ এলাকায় মহিন্দ্রা থার গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হল ৩৪ বছর বয়সি এক বাইক আরোহীর। মৃতের নাম সার্থক ম্যাট্টো। শনিবার সকালে রাজোকরি ফ্লাইওভারের কাছে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নয়াদিল্লি: দিল্লির বসন্তকুঞ্জ এলাকায় মহিন্দ্রা থার গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হল ৩৪ বছর বয়সি এক বাইক আরোহীর। মৃতের নাম সার্থক ম্যাট্টো। শনিবার সকালে রাজোকরি ফ্লাইওভারের কাছে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, গুরুগ্রামের বাসিন্দা সার্থক কর্মসূত্রে নয়ডার উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। সেই সময় পিছন থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি মহিন্দ্রা থার তাঁর মোটরবাইককে ধাক্কা মারে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বসন্তকুঞ্জ সাউথ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ইন্ডিয়ান স্পাইনাল ইনজুরিজ সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
তদন্তকারীদের দাবি, থারটি অত্যন্ত বেপরোয়া ভাবে লেন পরিবর্তন করছিল। সেই সময়ই বাইকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সার্থক হেলমেট পরেছিলেন। তবে গাড়ির আকস্মিক ও বিপজ্জনক লেন পরিবর্তনের জেরে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে থারের বাঁদিকের অংশে ধাক্কা মারেন।
ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য দেহটি সফদরজং হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং পরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
তদন্তে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনাগ্রস্ত থারটি বেঙ্গালুরুর একটি বেসরকারি সংস্থার নামে নথিভুক্ত। গাড়িটি লিজে নিয়েছিলেন সাগর সাহা নামে এক ব্যক্তি, যিনি দুর্ঘটনার সময় সামনের আসনে বসেছিলেন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তাঁর বন্ধু অপূর্ব সিংহ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন। উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা ৩০ বছর বয়সি অপূর্ব বর্তমানে গুরুগ্রামে থাকেন। তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ এবং থারটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর মেডিক্যাল পরীক্ষাও করানো হয়েছে।
এদিকে, সার্থকের পরিবার অভিযোগ করেছে, দুর্ঘটনার পর গাড়িতে থাকা ব্যক্তিরা তাঁকে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যান। মৃতের বাবা সুরেন্দর ম্যাট্টোর দাবি, শনিবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তাঁর ছেলে। প্রায় এক ঘণ্টা পরে দুর্ঘটনার খবর পান তাঁরা।
সুরেন্দর ম্যাট্টো বলেন, “রাজোকরি ফ্লাইওভারের কাছে পিছন থেকে একটি থার এসে আমার ছেলেকে ধাক্কা মারে। ধাক্কার পর গাড়িটি ওর উপর দিয়ে চলে যায় এবং তাকে রাস্তায় পড়ে থাকতে রেখে চলে যায়। অন্তত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মানবিকতাটুকুও তারা দেখায়নি।”
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
