Last Updated:
তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইনি নোটিশ পাঠালেন দলেরই বিধায়ক মদন মিত্রকে। আইনজীবী মারফত ই-মেলের মাধ্যমে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন।
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে দলেরই বিধায়ক মদন মিত্রকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আইনজীবী শ্রবণা সেনগুপ্ত ই-মেলের মাধ্যমে এই নোটিশ পাঠিয়েছেন। নোটিশের কপি অনুযায়ী, ১৯ জুলাই ২০২৬-এ মদন মিত্র তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে একটি লাইভ সম্প্রচার করেন। সেই সম্প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে একাধিক “মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বিদ্বেষমূলক ও মানহানিকর” মন্তব্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
আইনি নোটিশে দাবি করা হয়েছে, লাইভে প্রায় ৬ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের সময় মদন মিত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে “অপরাধী”, “খুনি” বলে উল্লেখ করেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে সুপারি কিলার ব্যবহারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন। নোটিশে বলা হয়েছে, এই সমস্ত অভিযোগের কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই এবং এগুলি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মানহানিকর।
নোটিশে আরও দাবি করা হয়েছে, ওই লাইভ ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, রাজনৈতিক মর্যাদা ও জনসম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে। তাই মদন মিত্রকে অবিলম্বে এই ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে লিখিত ও ভিডিও বার্তার মাধ্যমে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার পাশাপাশি ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, এই অর্থ একটি নিবন্ধিত ট্রাস্টে জমা রাখা হবে, যা দলত্যাগী জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই এবং রাজনৈতিক হিংসার শিকার ব্যক্তিদের আইনি ও পুনর্বাসনমূলক সহায়তায় ব্যবহার করা হবে।
নোটিশে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে মদন মিত্র এবং ঘটনায় জড়িত অন্যদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি—উভয় ধরনের আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
দ্রষ্টব্য: উপরোক্ত তথ্যগুলি আপনার শেয়ার করা আইনি নোটিশে উল্লিখিত অভিযোগ ও দাবির ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। এগুলি নোটিশদাতার দাবি; আদালতে প্রমাণিত তথ্য হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
