Last Updated:
Abhishek Banerjee vs Kunal Ghosh: তৃণমূলের বৈঠকে অভিষেক-কুণালের তুমুল বাগ্বিতণ্ডা, পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে এলেন মমতা। কালীঘাটে চরম নাটকীয় পরিস্থিতি।
কলকাতা: তৃণমূল কংগ্রেসে ডামাডোল অব্যাহত। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে শনিবার রাতে ডাকা হয় জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক। এবার সেখানেই মমতা বন্দোপাধ্যায়ের সামনে অভিষেক বন্দ্যাপাধ্যায় বনাম কুণাল ঘোষ তীব্র বাগবিতণ্ডা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনেই তুমুল কথা কাটাকাটি হয় অভিষেক ও কুণালের।
অভিষেক কুণালকে বলেন, ‘তুমি আমাকে আর সুমিতকে তীব্র আক্রমণ করেছ। আমাকে পছন্দ না হলে দল থেকে তাড়িয়ে দাও’।
কুণাল ঘোষ পাল্টা বলেন, ‘আমি তোমাকে কোনও আক্রমণ করিনি। তবে আমি সুমিতের মুখপাত্র নই। আমি দলের মুখপাত্র। আমি দলের কাজ করছি। তোমার বাড়িতে পুলিশ যাওয়ার তীব্র নিন্দা করেছি। কিন্তু সুমিতের ব্যাপারে আমি কথা বলতে পারব না।’
শেষমেশ অশান্তি থামাতে আসরে নামেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
সূত্রের খবর, তার পরে তিন জনের মাথায় হাত রেখে মমতা বলেন, ‘ঠান্ডা ঠান্ডা কুল কুল, এখন শান্ত থাকতে হবে।’ তীব্র বাদানুবাদের জেরে হতচকিত হয়ে যান বাকিরা। মমতা বন্দোপাধ্যায়কে চেয়ার ছেড়ে উঠে আসতে হয়। বৈঠকের শুরুতে একটা কমিটি সংক্রান্ত আলোচনা চলছিল। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই কমিটি নিয়ে আলোচনা পরের সপ্তাহে হবে।’ কুণাল ঘোষ বলেন, ‘দলের পুরনো কর্মীরা যাঁরা আবেগ দিয়ে দল করছেন তাঁদের জন্যে অন্তত এই কমিটির কাজ সেরে ফেলা হোক।’ বিষয়টি গুরুত্ব দিতে রাজি হননি অভিষেক বন্দোপাধ্যায়।
এদিনই উত্তর কলকাতার সভাপতি করা হয়েছে কুণাল ঘোষকে। যুব সভাপতি করা হয়েছে অর্ণব বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কর্ম সমিতিতে ঢুকেছেন সাংসদ সৌগত রায়ও। অন্যদিকে, মমতা-শিবিরের কাছে একের পর এক তোপের মুখে পড়েছেন সুদীপ। তীব্র কটাক্ষে সুদীপ আর তাঁর পত্নী নয়নাকে বিঁধেছেন কুণাল। সূত্রের খবর, যখন এই উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হচ্ছে অভিষেক এবং কুণালের সামনে এগিয়ে আসেন কল্যাণ। চেষ্টা করেন থামানোর। কিন্তু তাঁরা থামেননি। এর পরে পরিস্থিতি সামলাতে আসরে নামেন দলনেত্রী স্বয়ং।
আবীর ঘোষাল
Kolkata,West Bengal
