Last Updated:
পরিবারের সদস্যদের দাবি, বহুবার চন্দ্রশেখর এবং তাঁর স্ত্রী সন্ধ্যার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে৷ কিন্তু হয় তাঁদের ফোন সুইচড অফ ছিল নয়তো তাঁরা মোবাইল নেটওয়ার্ক এলাকার বাইরে ছিলেন৷
সুইৎজারল্যান্ড বেড়াতে গিয়ে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ হয়ে গেলেন হায়দ্রাবাদের এক দম্পতি৷ জানা গিয়েছে, পেশায় ব্যবসায়ী ৫১ বছর বয়সি পাব্বা চন্দ্রশেখর এবং তাঁর স্ত্রী ৪২ বছরের স্বপ্না প্রায় তিন সপ্তাহ আগে সুইৎজারল্যান্ড ঘুরতে গিয়েছিলেন৷ কিন্তু তার পর থেকেই কোনও খোঁজ নেই তাঁদের৷
যদিও ওই দম্পতি নিখোঁজ হওয়ার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগও উঠেছে৷ অভিযোগ, চন্দ্রশেখর এবং তাঁর স্ত্রী মিলে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে প্রায় ৫০ কোটি টাকা তুলেছিলেন৷ ইতিমধ্যেই এই অভিযোগের তদন্তও শুরু করেছে পুলিশ৷
দম্পতির মেয়ে শ্রেয়া জানিয়েছেন, সুইজারল্যান্ড পৌঁছনোর পর প্রথম বেশ কয়েকদিন পরিবারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রাখছিলেন তাঁরা৷ কিন্তু গত ৮ জুলাই থেকে আচমকাই ওই দম্পতির সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না৷
পর পর কয়েকদিন ধরে বাবা মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত পুলিশের দ্বারস্থ হন দম্পতির ২৩ বছর বয়সি কন্যা শ্রেয়া৷ তিনি একজন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী৷ ওই দম্পতির কন্যার অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ৷
ওই দম্পতির সুইৎজারল্যান্ডের কোথায় কোথায় যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল,তাঁদের ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত তথ্য, আর্থিক লেনদেনের রেকর্ড- এ সবই খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷ শুধু তাই নয়, ফোনে দাবি করলেও আদৌ ওই দম্পতি সুইৎজারল্যান্ডে গিয়েছেন কি না, তাও যাচাই করে দেখা হচ্ছে৷
তদন্তে আরও উঠে এসেছে গত কয়েক বছরে প্রায় ৬০ জন ব্যক্তির কাছ থেকে ৫০ কোটি টাকা তুলেছিলেন চন্দ্রশেখর এবং তাঁর স্ত্রী৷ মোটা টাকা লাভের টোপ দেখিয়ে সাধারণ মানুষের ওই টাকা তোলা হয় বলে অভিযোগ৷ পুলিশ অবশ্য এখনও ওই দম্পতির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ আনেনি৷
ওই দম্পতি ৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করতে ওই দম্পতি গা ঢাকা দিয়েছেন কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা৷
Kolkata,West Bengal
