Last Updated:
গত বুধবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে বিধানসভায় এসে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র৷ দলের সমস্ত পদ থেকেও ইস্তফা দেন তিনি৷
মাত্র দু দিন আগেই কালীঘাট শিবির ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে যোগ দিয়েছেন৷ মাত্র ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতে শুক্রবার বিধানসভা চত্বরে ফের চর্চায় কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র৷
বিজ্ঞানী সোনম ওয়াংচুকের আমরণ অনশনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি করে এ দিন বিধানসভা চত্বরে বি আর আম্বেদকরের মূর্তির নীচে কালীঘাট পন্থী তৃণমূলের একটি কর্মসূচি আয়োজন করে৷ হঠাৎই সেখানে হাজির হন মদন মিত্র৷ শিবিরের বদলের পর মদনের উপস্থিতিতে কিছুটা হতচকিত হয়ে যান শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকা বিধায়করা৷ যদিও মদনকে সামনে পেয়েই খোঁচা দিতে ছাড়েননি কালীঘাটপন্থী বিধায়ক কুণাল ঘোষ৷ পাল্টা কুণালকে নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন মদনও৷
এ দিন মদনকে সামনে পেয়েই কুণাল কটাক্ষ করে বলতে থাকেন, মদনদার শরীরটা ওদিকে থাকলেও মদনদা বিশ্বাস করেন ধর্ষক কে! মদনদার মন অন্য দিকে পড়ে আছে৷ কাপুরুষের মতো ইডি দিয়ে বৌদি আর মদনদার ছেলেদের নোটিস দিয়েছে৷ ফলে আমরা চাই মদনদা দু চার দিন যা মন চায়, প্রাণ চায় বলুক৷ আমরা শুধু এটুকু জেনে রাখছি আমাদের ভিতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল থাকল৷
কুণাল ঘোষের এই মন্তব্য শুনে হাসিতে ফেটে পড়েন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেবরা৷ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মদন বলেন, শোভনদাকে (শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়) বললাম দশ বছর এখন বিরোধী আসনে বসে থাকো! শুনে শোভনদেব পাল্টা বলেন, দশ বছর? এটা কী বললি? প্রাক্তন অধ্যক্ষ এবং বারুইপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় তখন মজাচ্ছলে বলেন, বিরোধী আসন কেন, সরকারি আসনেই বসব৷ মদনকে তখন বলতে শোনা যায়, ঠিক, ঠিক!
তবে কুণালকেও জবাব দিতে ছাড়েননি মদন৷ বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল দাবি করেছিলেন, মদন মিত্রের মন কালীঘাট শিবিরের দিকেই রয়েছে৷ পাল্টা কামারহাটির বিধায়ক পরে বলেন, মন নিয়ে সব থেকে বেশি গান হয়েছে, আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাবো। আমার মনে হয় কুণালের এবার মন হারানোর দিন চলে এসেছে৷
Kolkata,West Bengal
