Last Updated:
CPIM Leader Arrest Update: লাহেক আলির বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-এর প্রায় ২০টি ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে এবং আদালত তাঁকে একাধিক দফায় পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে। মামলার তদন্ত এখনও চলছে এবং আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলি প্রমাণিত বলে গণ্য করা যাবে না।
কলকাতা: হাইকোর্টে ধাক্কা সিপিআইএম নেতা লাহেক আলির। বারুইপুরে কিশোরী নির্যাতনের ঘটনার পরে বারুইপুরের ২ বারের সিপিআইএম প্রার্থী বর্তমানে হেফাজতে। রক্ষাকবচের মামলা খারিজ করলো বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। ‘চাপ’ তকমা কাটাতে আবেদন লাহেকের। কোনও হস্তক্ষেপ করল না হাইকোর্ট একক বেঞ্চ।
এদিন লাহেক আলির আইনজীবী অভিষেক হালদার আদালতে জানান, ‘‘নানা চাপের গোষ্ঠীর তকমায় বারুইপুর কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে বিষয় বিবেচনা করুক আদালত।’’ তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘মামলার অন্যতম আবেদন পুলিশের গ্রেফতার থেকে রক্ষাকবচ। গ্রেফতারের পর এইসব মামলার শুনানি গুরুত্বহীন। নির্দিষ্ট জায়গায় আবেদন করুক মামলাকারী৷’’
গত মঙ্গলবার সূর্যপুর কাণ্ডে গ্রেফতার সিপিআইএম নেতা লাহেক আলির ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত শেষে মঙ্গলবার তাঁকে ফের বারুইপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে আরও ৬ দিনের হেফাজত চায় পুলিশ। উভয় পক্ষের সওয়াল শোনার পর আদালত ৬ দিনের বদলে আরও ৩ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্রে খবর, ভাঙচুর, অবরোধ ও অন্যান্য অভিযুক্তদের ভূমিকা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্যই এই আবেদন৷
বারুইপুরের সূর্যপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে যে ব্যাপক বিক্ষোভ, অবরোধ এবং হিংসার ঘটনা ঘটেছিল, সেই মামলায় সিপিএমের রাজ্য কমিটির সদস্য ও বারুইপুর পশ্চিমের প্রাক্তন প্রার্থী লাহেক আলি-কে ১২ জুলাই রাতে পুলিশ গ্রেফতার করে।
লাহেক আলির বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগগুলি হল— বিক্ষোভ ও অশান্তিতে উস্কানি দেওয়া, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগ, গণপিটুনিতে খুনের ঘটনায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ, বেআইনি জমায়েত ও দাঙ্গা ছড়ানোর অভিযোগ, সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুর এবং রেল সম্পত্তির ক্ষতি করার অভিযোগ, পুলিশ ও সরকারি কর্মীদের কাজে বাধা ও হামলার অভিযোগ, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানো এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগ৷
পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ৫ জুলাই সূর্যপুরে বিক্ষোভের সময় লাহেক আলি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর উস্কানিতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। তবে লাহেক আলি সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন যে, তাঁর বিরুদ্ধে আনা মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত৷
