Last Updated:
অভিযোগ, ভোটের ফল প্রকাশের পর টালিগঞ্জ থানা এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করেন সাংসদ মালা রায় এবং নির্বাণ রায়। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে অস্ত্র হাতে হুমকি দেন বলে অভিযোগ।
কলকাতা: অস্ত্র আইনের মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন সাংসদ মালা রায়। মালা রায়ের পুত্র নির্বাণ রায়ও আত্মসমর্পণ করেছেন। ভোটের ফল ঘোষণার পর ৪ মে টালিগঞ্জ থানা এলাকার বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো, হুমকি ও মারধরের অভিযোগ উঠেছিল তাঁদের বিরুদ্ধে। মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা বলেও অভিযোগ। এক হাজার ব্যক্তিগত বন্ডে আদালত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করে।
দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালা রায়, তাঁর ছেলে নির্বাণ রায়-সহ ২৪ জনের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন ও একাধিক ধারাতে মামলা রুজু করে টালিগঞ্জ থানা। বুধবার আলিপুর মুখ্য বিচারবিভাগীয় আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করলেন মালা রায় ও তাঁর ছেলে। হাজার টাকা বন্ডে জামিন মঞ্জুর হয়। উল্লেখ্য, পালাবদল হতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত কর্মীদের পরিবারের দায়িত্ব তাঁর। মঙ্গলবার ফলতায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে নিহত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি চাকরি দেবেন বলেও ঘোষণা করেন শুভেন্দু।
প্রসঙ্গত, গত ১১ মে ইডির দফতরে টানা সাড়ে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার হন প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছিল তৃণমূল সরকারের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীর। সেদিন সকাল থেকেই তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পরেও ইডি দফতরেই বসিয়ে রাখা হয় সুজিত বসুকে। গোটা বিষয়টি দিল্লির ইডির সদর দফতরে জানান আধিকারিকেরা। আর সেখান থেকে সবুজ সঙ্কেত আসতেই রাত ৯টা ১৫মিনিটে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে সূত্রের খবর। ইডি সূত্রের খবর, তাঁর বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি ছিল। তদন্ত প্রক্রিয়ায় অসহযোগিতা করারও অভিযোগ উঠেছে সুজিত বসুর বিরুদ্ধে। বাজেয়াপ্ত করা হয় প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর মোবাইল ফোন।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal
