Last Updated:
আগামী ৯ মে, শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন সকাল দশটায় ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে বিজেপি-র নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করবে৷
২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর রাজ্য সরকারের প্রধান সচিবালয় রাইটার্স বিল্ডিং বা মহাকরণ থেকে সরিয়ে হাওড়ার নবান্নে নিয়ে গিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তৃণমূলের শাসনকালে নবান্নই হয়ে উঠেছিল রাজ্য সরকারের মূল প্রশাসনিক দফতর৷ ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগেও নবান্নের দখল কে নেবেন, সেই প্রশ্নে উত্তরই খুঁজছিল রাজনৈতিক মহল৷
বামেদের শাসনকালের সঙ্গে সমর্থক হয়ে উঠেছিল লাল দেওয়ালের রাইটার্স বিল্ডিং৷ তৃণমূল আমলে একই কথা বলা যায় নীল সাদা রংয়ের নবান্নের ক্ষেত্রে৷ কিন্তু বিজেপি-র নতুন সরকারও কি নবান্ন থেকেই চলবে না কি তা ফিরবে শতাব্দীপ্রাচীণ রাইটার্স বিল্ডিংয়েই? বুধবার নবান্নে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকের পর সেই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য৷
শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আমরা ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগেই বলেছিলাম যে রাজ্যে ক্ষমতায় এলে আমরা রাইটার্স বিল্ডিং থেকেই সরকার চালাব৷ এখন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সংস্কার কাজ চলছে৷ ফলে ওখানকার অবস্থা কী আমি জানি না৷ নতুন যিনি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন, সরকার কোথা থেকে চলবে সেই সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন৷
এ দিন নবান্নে গিয়ে আগামী শনিবার নতুন সরকারের শপথগ্রহণ নিয়ে প্রস্তুতির পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসা বন্ধ করা নিয়েও মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনা করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি৷ নবান্ন থেকে বেরিয়ে শমীক বলেন, বিজেপি-র তৃণমূলীকরণ করতে দেব না৷ তৃণমূল করা অনেকেই বিজেপি-র পতাকা হাতে নিয়ে মুখে গেরুয়া আবির মেখে এসব করছে৷ আমি মুখ্যসচিবকেও বলেছি, কঠোর হাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করুন। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তৃণমূলের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চেয়েছে৷ ভয়ের বাতাবরণ থেকে বেরিয়ে ভরসা জোগাব, এটা প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস ছিল৷ আমরা সেটা পালন করব৷
Kolkata,West Bengal
