Last Updated:
Topsia Fire Update: তিনজলা অগ্নিকাণ্ডে কারখানার মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই কারখানাটি তিন জনের পার্টনার শিপ রয়েছে। বাবা ও দুই ছেলে মিলেই চালাতেন। তাদের ফায়ার লাইসেন্স রয়েছে কি না, দমকলের সঙ্গে কথা বলে খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷
তপসিয়া: তিলজলা টালিখোলা মসজিদের কাছে গতকাল একটি পাঁচ তলা বাড়িতে আগুন লাগে বেলা দুটো নাগাদ। চারটে ইঞ্জিনে চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এই কারখানাটি চালাতেন জাফার নিসার (৪৪)। ইতিমধ্যেই কারখানার মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই কারখানাটি তিন জনের পার্টনার শিপ রয়েছে। বাবা ও দুই ছেলে মিলেই চালাতেন কারখানা। তাদের ফায়ার লাইসেন্স রয়েছে কি না, দমকলের সঙ্গে কথা বলে খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷
এই ঘটনায় মোট দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জাফার ও তার কারখানার একজন কর্মীকে আটক করা হয়েছে। পাম এভিনিউ এলাকায় থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল যে তিনজন কর্মীকে আটক করা হয়েছিল তাদের মধ্যে থেকে একজনকে পুলিশ রাতে গ্রেফতার করে। আজ, বুধবার ভোরে জাফারকে গ্রেফতার করা হয়েছে৷ আপাতত তিলজলা থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আজই আলিপুর আদালতে পেশ করা হবে তাদেরকে৷
ডেল্টা লেদার কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেড, 50/1-D/1 গুলাম জিলানী রোড, ২০০৬ সালে রেজিস্টার্ড কোম্পানি এটি। মালিক মহম্মদ নিসার আহমেদ এই বিল্ডিংয়ের টপ ফ্লোরে থাকতেন। ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন কারখানার মালিক। কোম্পানি রেজিস্টার্ড ২০০৬ সালে হলেও এখানে কারখানাটি প্রায় ৪০ বছর ধরে চলছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। গোটা এলাকার রাস্তা অত্যন্ত সংকীর্ণ ও ঘনজনবসতিপূর্ণ এবং রাস্তায় প্রচুর তারের জঞ্জাল। স্বভাবতই দমকলের একাধিক ইঞ্জিন পৌঁছে দ্রুত কাজ করার ক্ষেত্রে সমস্যা হয়েছে । হাসপাতাল সূত্রে খবর, মূলত ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়েই তাদের মৃত্যু হয়েছে ।
স্থানীয়দের দাবি, কারখানায় চুরি আটকানোর জন্য জানলা দরজা বন্ধ থাকত, তাই আগুন লাগার পরে ধোঁয়ায় আটকে পরে, পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশনের অভাবেই মৃত্যু হয়েছে শ্রমিকদের। বিল্ডিংগুলো অনেক আগে গড়ে উঠলেও পুর এলাকায় নির্মাণের নিয়মকানুন না মেনেই মূলত এই বিল্ডিংটি তৈরি করা হয়েছিল, ফলে একটি বহুতলের ক্ষেত্রে যতটুকু জায়গা পাশের বিল্ডিং এর থেকে ব্যবধান রাখতে হয়, সেই ব্যবধানও এক্ষেত্রে একেবারে অমিল। গতকাল তপসিয়ার মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে দু’জন নিহত হন। বাকি তিনজনের অবস্থাও খুব সঙ্কটজনক৷ তাদেরকে ক্যালকাটা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রাখা হয়েছে ৷ দু’জন এমার্জেন্সি আইসিইউ আর একজন সার্জিক্যাল আইসিইউতে রয়েছেন৷
Kolkata,West Bengal
