Last Updated:
যুদ্ধ শেষ করতে চুক্তির পথে এগিয়েছে আমেরিকা এবং ইরান৷ একাধিক রিপোর্টে তেমনটাই দাবি৷ পাশাপাশি ইরান জানিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে হরমুজ প্রণালী৷
অবশেষে অবসানের পথে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি? চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি সম্ভাব্য চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে আমেরিকা এবং ইরান, এমনই দাবি করা হয়েছে একাধিক রিপোর্টে৷ তেহরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যুদ্ধের পূর্বাবস্থায় ফিরতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান কার্যত হরমুজ প্রনালী বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি সরবরাহ এই জলপথের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করে এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তৈরি হয়। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন আমেরিকা ইরানের বন্দরগুলির উপর নৌ অবরোধ জারি করে।
একাধিক মার্কিন ও ইরানি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, দুই দেশ একটি সমঝোতা স্মারক বা মেমোর্যান্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং (MOU) তৈরির পথে এগোচ্ছে, যা দীর্ঘদিনের সংঘর্ষ থামানো, স্ট্রেইট অফ হরমুজ পুনরায় খুলে দেওয়া এবং মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের রূপরেখা নির্ধারণ করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যে আরও জোরদার হয়েছে সেই সম্ভাবনা৷
মার্কিন সংবাদমাধ্যম Axios-এ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, সম্ভাব্য চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর কথা রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে স্ট্রেইট অফ হরমুজ পুনরায় খুলে দেওয়া হবে৷ ইরান স্বাধীনভাবে তেল বিক্রি করতে পারবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে আলোচনা চলবে।
অন্যদিকে, ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তি অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে স্ট্রেইট অফ হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ে ফিরিয়ে আনা হবে।
এছাড়া ইরান দাবি করেছে, আমেরিকার নৌ অবরোধ পুরোপুরি ৩০ দিনের মধ্যে তুলে নিতে হবে এবং প্রথম ধাপেই ইরানের জব্দ হওয়া অর্থের একটি অংশ মুক্ত করতে হবে। যদিও পারমাণবিক ইস্যু-সহ এক বা দুইটি শর্ত নিয়ে এখনও মতভেদ রয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।
Kolkata,West Bengal
