কলকাতা: গতকাল, ১৮ মে গ্রেফতার করা হয়েছে সোনা পাপ্পুকে । আজ তাকে আদালতে তোলা হয় তাকে । আর সেখানেই একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করে ইডি (Enforcement Directorate) । ইডি (Enforcement Directorate) -র তরফ থেকে জানানো হয় জমি দখলের জন্য ঠিক কী ধরনের পরিবেশ তৈরি করত ধৃত বিশ্বজিত পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু ।
আরও পড়ুন: সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করেছে যারা, এবার তাদের থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায় করবে পুলিশ – প্রশাসন
ইডি (Enforcement Directorate) জানায়, জমি দখলের জন্য সেখানে একটা ভয়ের বাতাবরণ তৈরি করত বিশ্বজিত পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু । আর তারপর কম দামে কিনে নেওয়া হতো জমি । অন্য দিকে, অপরাধীদের দিয়ে চলত জমি দখল । কোথাও ৫ কোটি টাকার জমি কেনা হতো ১ কোটি টাকায় । আবার কোথাও ৭ কোটির সম্পত্তি কেন হয়েছিল ১ কোটি টাকায় ।
ইডি (Enforcement Directorate) -র আইনজীবী ধীরজ ত্রিপঠি বলছেন, “ইডি (Enforcement Directorate) জানিয়েছে যে সব FIR -এই নাম রয়েছে সোনা পাপ্পুর । আর সেখান থেকে বাকি জনদের আমরা ধরেছি । ওঁর বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে । এ ছাড়াও এমন অস্ত্র পাওয়া গিয়েছে যা উনি কামদারের কোম্পানির কাছ থেকে কিনেছিলেন । এবং তার পর যে অস্ত্র তিনি কেনেন, এর ১৫ দিনের মধ্যেই একটা ঘটনা ঘটে ।”
আরও পড়ুন: বর্ধমানে ‘অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারদের সিণ্ডিকেটরাজ’ নিয়ে সরব বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক!
এ ছাড়াও ইডি (Enforcement Directorate) -র আইনজীবী এদিন সোনা পাপ্পুর কাছে থাক ক্যাশ নিয়েও মন্তব্য করেন । তিনি বলেন, “এ ছাড়াও দেখা গিয়েছে ওঁর কাছে ক্যাশে জমা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ টাকার মতো । আর শেষ দুই থেকের আড়াই বছরে এই টাকার অঙ্কটা প্রায় ১৬ থেকে ১৭ কোটি টাকা । এ ছাড়াও এমন অনেক সম্পত্তি কেন হয়েছে, যা প্রচন্ড কম দামে । এটা একটা সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্র । যেখানে যাঁরা প্রশাসনে রয়েছেন, যাঁরা এক্সিকিউশনে রয়েছেন আর যাঁরা ব্যবসায়ী, সকলে মিলে একটা ষড়যন্ত্র করে এটা করেছেন । একজনের পক্ষে এটা সম্ভব নয় ।