Last Updated:
Ritabrata Banerjee: দল বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে তৃণমূল কংগ্রেস বহিষ্কার করলেও, সেই বহিষ্কার প্রক্রিয়াতেই ত্রুটি ছিল বলে দাবি করলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস। তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে।
কলকাতা: দল বিরোধী কাজের জন্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এই বহিষ্কার করার এই প্রক্রিয়াতেই ভুল ছিল বলে দাবি করেন অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বোস। তাঁর আরও দাবি, আইন মেনেই তিনি ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
ঋতব্রত প্রসঙ্গে স্পিকার রথীন্দ্র বোস বলেন, “আইন মেনে কাজ করেছি। কোনও কিছু বেশিও করিনি, কমও করিনি। দল থেকে বহিষ্কার করার আগে শোকজ করতে হয়। তৃণমূলের আগের দেওয়া চিঠিতে ত্রুটি ছিল তাই সেটা গ্রহণ করা হয়নি। দলের সংবিধান অনুযায়ী বহিষ্কারের চিঠি বৈধ নয়। শোকজ করতে হয় সময় দিতে হয়। একদিনেই বহিষ্কার করা যায় না। ওদের কাছে বিধায়ক সংখ্যা আছে, তাই মেনে নিয়েছি। এর আগে দলের চিঠিতে স্বাক্ষর নিয়ে সমস্যা ছিল, আমরা সেটা তদন্তের জন্য সিআইডিকে দিয়েছি।”
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের ৬০ জন বিধায়ক ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন। বুধবার ঋতব্রত বলেন, “কেউ নেতা, কেউ ভৃত্য এরকম নয়৷ আপাতত ৫৮ জনের বিধায়কের দল, যাঁরা তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত৷ তাঁরাই বিধানসভায় প্রধান বিরোধী পক্ষ৷ আরও দু’জন আছেন, তাঁদের সমর্থন আমাদের প্রতি আছে, ফলে সংখ্যাটা ৬০ হবে৷” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পরিষদীয় দলের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।
Kolkata,West Bengal
