*শুভেন্দু আরও বলেন, “মুর্শিদাবাদ জেলায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। এডিএম জেলা পরিষদ যে টেন্ডার করেছেন তাদের ক্রেডেনশিয়ালে অধিকাংশ জাল। ৬০০ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ভুয়ো, ৩৫০০ সংখ্যালঘু স্কলারশিপের অ্যাকাউন্ট ভুয়ো সব ক্ষেত্রে ভুয়ো। SC, ST না হয়েও ভাতা নিচ্ছে। এমনকি শারীরিকভাবে অক্ষম নয়, তাও ভাতা নিচ্ছে। আমরা ভেরিফিকেশন করছি। এক্ষেত্রে দেখা হচ্ছে KYC ঠিক আছে কিনা, আধারের সঙ্গে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট লিঙ্ক আছে কিনা এসব দেখতে গিয়েই হাজার হাজার ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ধরা পড়ছে। ২ মাস সময় দিন। বিডিওরা কথা দিয়েছেন সমস্ত সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার স্কিম ভেরিফিকেশনের কাজ শেষ করবে। যারা ভুয়ো কাজ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
