Last Updated:
Khariji Madrasa investigation report: সীমান্তবর্তী জেলায় খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে রিপোর্টে একাধিক পর্যবেক্ষণ, অর্থের উৎস খতিয়ে দেখার সুপারিশ।
কলকাতা: রাজ্যের ১২ জেলায় খারিজি মাদ্রাসা তদন্তে রিপোর্ট পেশ। সীমান্তবর্তী জেলাগুলি-সহ ১২ টি জেলার জন্য ডব্লিউবিসিএস-সহ সিনিয়র প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে পৃথক পরিদর্শক দলগুলির তরফের রিপোর্ট জমা দেওয়া হল সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে–
১) খারিজি মাদ্রাসা চলছে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেই।
২) খারিজি মাদ্রাসাগুলির পরিচালনা করার জন্য কোথা থেকে টাকা আসছে? তা নিয়ে তদন্ত করার প্রয়োজন বলেই মনে করছেন কমিটির সদস্যরা।
৩) বহু বছর ধরে এই ধরনের মাদ্রাসা চলছে। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতেই সবথেকে বেশি খারিজি মাদ্রাসার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যেও খারিজি মাদ্রাসার হদিস পাওয়া গিয়েছে।
৫) স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি এই ধরনের মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন সংস্থার তরফেও অর্থ দেওয়া হয়। এর প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করার জন্য কোনও সংস্থার সাহায্য নেওয়া উচিত।
১২টি জেলার পৃথক পরিদর্শনকারী দলের তরফে জেলাভিত্তিক পৃথক রিপোর্ট জমা পড়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরে। খুব শীঘ্রই মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের বলেই সূত্র মারফত খবর। কোচবিহার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়া, হুগলি, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা এই ১২ জেলায় অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলিতে সরকারের তৈরি করা সিলেবাস, প্রকল্প অনুসরণ করা হয় কিনা তা নিয়ে জেলাভিত্তিক পরিদর্শনকারী কমিটি গঠন করে সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর।
সোমরাজ বন্দ্যোপাধ্যায়
Kolkata,West Bengal
