Last Updated:
Unique Lantern Business: সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যবাহী বিষ্ণুপুরী লণ্ঠন এবার নতুন রূপে! ক্যানভাসে ফুটছে দশাবতার তাসের ছবি। ইলেকট্রিক ও ব্যাটারির আলোয় ঘর সাজাতে মন মজেছে কলকাতা থেকে দিল্লির ক্রেতাদের। হারিয়ে যেতে জিনিস এখন হয়ে উঠেছে উপার্জনের মাধ্যম।
বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন ব্যানার্জী: একসময় গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে অন্ধকার দূর করত বিষ্ণুপুরের ঐতিহ্যবাহী লণ্ঠন। বিদ্যুতের আলো পৌঁছনোর আগে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের রাত কাটানোর অন্যতম ভরসা ছিল এই লণ্ঠন। শতাধিক বছরের পুরনো এই শিল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বিষ্ণুপুরের নিজস্ব ইতিহাস ও কারিগরদের প্রজন্মের পর প্রজন্মের শ্রম। কিন্তু আধুনিকতার দাপটে বদলে গিয়েছে সময়, বদলে গিয়েছে মানুষের প্রয়োজন। ফলে একসময়ের জনপ্রিয় ‘বিষ্ণুপুরী লণ্ঠন’ আজ কার্যত অস্তিত্বের সংকটে। হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার এখনও কোনওরকমে পূর্বপুরুষের এই শিল্পকে আঁকড়ে ধরে রয়েছেন। তাঁদের প্রত্যেকের গলায় একটাই আক্ষেপ, “চাহিদা একেবারেই নেই।” মাসে ৫০-৬০টি লণ্ঠন বিক্রির দিন এখন অতীত। বর্তমানে পাক্ষিকে তিন-চারটি লণ্ঠন বিক্রি করাও অনেকের কাছে বড় প্রাপ্তি।