Last Updated:
WB Assembly Election 2026: স্ট্রং রুমে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা, সিসি ক্যামেরার নজরদারি, গণনাকেন্দ্রে অবৈধ প্রবেশ রুখতে আইডি কার্ডে কিউআর কোড। ইভিএম, স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি করছে নির্বাচন কমিশন।
কলকাতা: বাংলায় দুই দফায় ভোটগ্রহণ শেষ! রেকর্ড হারে ভোট পড়েছে বাংলায়। এবার ৪ মে-র অপেক্ষা! সেদিন ভোট গণনা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রয়েছে গণনাকেন্দ্র। সেই কেন্দ্রগুলির নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ কড়া কমিশন। গণনাকেন্দ্রে বেআইনি বা অবৈধ প্রবেশ রুখতে রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। গণনাকেন্দ্রে যাঁদের প্রবেশের অনুমতি রয়েছে, তাঁদের জন্য আলাদা আইডি কার্ড থাকে। এ বার সেই পরিচয়পত্রের সঙ্গে থাকবে কিউআর কোড। ওই কোড স্ক্যান করেই যাচাই করা হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে দেওয়া অনুমতিপত্র।
গণনাকেন্দ্রে বাড়তি সতর্কতা কমিশনের,গণনাকেন্দ্রে প্রবেশে আরও কড়া নজরদারি। QR কোড ভিত্তিক ফোটি আইডেন্টিটি কার্ড। QR কোডে স্ক্যান করে মিলবে প্রবেশের অনুমতি। ২ মে থেকেই কার্যকর হবে নতুন সতর্কতা। অননুমোদিত প্রবেশ রুখতেই এই পদক্ষেপ কমিশনের। এজেন্ট, গণনাকর্মী ও মিডিয়ার জন্য নয়া নিয়ম।
প্রথমে অসম, কেরল, তামিলনাড়ু, পশ্চিমবঙ্গ ও পুদুচেরির ভোট গণনায় প্রয়োগ হবে এই নয়া ব্যবস্থা। ভবিষ্যতে সব লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে। তিন স্তরের নিরাপত্তা—শেষ স্তরে QR স্ক্যানের পরেই মিলবে প্রবেশের অনুমতি। গণনা কেন্দ্রে প্রবেশে কড়া নজরদারি, অননুমোদিত প্রবেশ রুখতেই এই পদক্ষেপ। প্রার্থীদের এজেন্ট, গণনাকর্মী ও মিডিয়ার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম জারি। স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও দক্ষতা বজায় রাখতে কড়া নির্দেশ সব নির্বাচন আধিকারিকদের।
কমিশন জানিয়েছে, স্ট্রংরুম সিসিটিভি ক্যামেরায় মোড়া। জাতীয় নির্বাচন কমিশন থেকে গণনাকেন্দ্র নিয়ে চূড়ান্ত অনুমোদন এলে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা চূড়ান্ত হবে। নির্বাচন কমিশন দাবি করেছে, স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় ডবল-চেকের আঁটোসাঁটো ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্ট্রংরুমের গেট গালা দিয়ে সিল করা। নিয়মিত সিল চেক করছে বাহিনী। মাঝে মাঝে খোঁজ নেবেন সেই এরিয়ার সেক্টর অফিসার। কমিশন জানিয়েছে, গণনাকেন্দ্রে লাইভ স্ট্রিমিং হয় না। সিসিটিভি আছে।
ইভিএম, স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি করছে নির্বাচন কমিশন। স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় যে ২০০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল, তার মধ্যে ১০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি বিএসএফ, ১৫ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ১৫ কোম্পানি এসএসবি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য ১২-১৮ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে।
কমিশন জানিয়েছে, গনণাকেন্দ্রে ঢোকার আগে ভোটকর্মীদের তিন ধাপে যাচাই করা হবে। গণনাকেন্দ্রে ঢোকার মুখে এক বার ভোটকর্মীর আইডি কার্ড পরীক্ষা করা হবে, গণনাকক্ষে যাওয়ার পথে আবার এক বার ওই ভোটকর্মীর আইডি কার্ড যাচাই হবে, শেষবার গণনাকক্ষে ঢোকার মুখে ফের পরিচয়পত্র পরীক্ষা হবে। সেখানেই আইডি কার্ডে থাকা কিউআর কোড স্ক্যান করাতে হবে।
Kolkata,West Bengal
